এ নিয়ে গত দুই দিনে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মোট ১১৩ জনকে আটক করা হলো, যার মধ্যে ১০৪ জনকেই মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) পেয়ার আহমেদ। এর আগে শুক্রবার দিনগত রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়।
থানাভিত্তিক আটকের পরিসংখ্যান
জেলা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনায় ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা রোধ, অপরাধপ্রবণতা ঠেকানো এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
আটককৃতদের থানাভিত্তিক তথ্যানুযায়ী:
-
সুধারাম মডেল থানা: ৬ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ১ জনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং ৫ জনকে মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়।
-
কোম্পানীগঞ্জ থানা: ১২ জন।
-
কবিরহাট থানা: ৭ জন।
-
বেগমগঞ্জ মডেল থানা: ৬ জন।
-
সোনাইমুড়ী থানা: ৬ জন।
-
চাটখিল থানা: ৬ জন।
-
চরজব্বর থানা: ২ জন।
উল্লিখিত থানাগুলোতে আটক বাকি ৪৪ জনের প্রত্যেকের কাছ থেকেই ভবিষ্যতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে না জড়ানোর মুচলেকা নিয়ে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অভিযানে পুলিশের বার্তা
অভিযানের বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) পেয়ার আহমেদ জানান, কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের এ ধরণের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু আইনি পদক্ষেপই নয়, কিশোরদের নিরাপদ ও সঠিক পথে রাখতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।