আইবাস প্লাস প্লাস (iBAS++)-এর পে ফিক্সেশন মডিউলের মাধ্যমে সম্পূর্ণ অনলাইনে এই কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এনআইডি, জন্মতারিখ, পদবি, বর্তমান মূল বেতন ও চাকরির বিস্তারিত তথ্যসহ পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির অফিস আদেশ প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। তথ্য এন্ট্রির পর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় তা যাচাই-বাছাই করে নতুন বেতনের ভিত্তিতে বকেয়া পাওনার হিসাব তৈরি করবে।
নতুন পে-স্কেলের প্রধান দিক ও বাস্তবায়ন রূপরেখা:
-
ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন: দীর্ঘ ১১ বছর পর গত ১৯ সেপ্টেম্বর ঘোষিত নতুন স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের মধ্যে মোট তিনটি ধাপে এই মূল বেতন কার্যকর হবে।
-
বেতন সমন্বয় পদ্ধতি: ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মূল বেতনের ভিত্তিতে সমন্বয় করা হবে।
-
প্রথম ধাপ (১ জুলাই – ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬): নতুন ও পুরোনো মূল বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ বকেয়াসহ দেওয়া হবে।
-
দ্বিতীয় ধাপ (১ জানুয়ারি – ৩০ জুন ২০২৭): পার্থক্যের ৭০ শতাংশ দেওয়া হবে।
-
পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ণ: ১ জুলাই ২০২৭ থেকে পুরো নতুন মূল বেতন এবং ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে নতুন ভাতার অংশ কার্যকর হবে।
-
-
বাজেট বরাদ্দ: চলতি অর্থবছরে মূল বেতনের বর্ধিত অংশ পরিশোধে সরকারের ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
-
উচ্চতর গ্রেড সংক্রান্ত নিয়ম: সন্তোষজনক চাকরির ৮ বছর পূর্তিতে প্রথম এবং পরবর্তী ৬ বছর পর দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। তবে অতীতে একই পদে একাধিকবার টাইম স্কেল বা সিলেকশন গ্রেড নেওয়া কর্মীদের তা সমন্বয় করে পে-ফিক্সেশন চূড়ান্ত করা হবে।