আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ফিফা র্যাংকিংয়ের ৬২তম দল বুরকিনা ফাসোর ওপর তান্ডব চালিয়ে ৭-০ গোলের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল। মেসিকে ছাড়া খেলতে নামলেও আলবিসেলেস্তেদের আক্রমণের ধার যে বিন্দুমাত্র কমেনি, তা প্রথমার্ধেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রথমার্ধেই ৫ গোল আদায় করে নেওয়ার পর দ্বিতীয় অর্ধে আরও দুটি গোল যোগ করে তারা।
ম্যাচের ঘটনাপ্রবাহ:
-
লাউতারোর রেকর্ড ছোঁয়া গোল: ম্যাচের শুরুতেই বুরকিনা ফাসোর ডিফেন্ডার মুমুনি দিয়ালো পেনাল্টি বক্সের ভেতরে অগাস্টিন জিয়ায়কে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। লাউতারো মার্তিনেজের নেওয়া প্রথম শট বুরকিনা ফাসোর গোলকিপার রাজাক গুইরা আটকে দিলেও বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। রিবাউন্ড থেকে বল জালে পাঠান ‘এল তোরো’। জাতীয় দলের হয়ে ৪২তম গোল করে আর্জেন্টিনার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় সার্জিও আগুয়েরোর সঙ্গে যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে উঠে এলেন লাউতারো। তার সামনে এখন কেবল গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা (৫৪) ও লিওনেল মেসি (১২৫)।
-
আত্মঘাতী গোল ও প্রেস্তিয়ানির প্রথম গোল: ৮ম মিনিটে বুরকিনা ফাসোর ডিফেন্ডার দিয়ালো বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভুলবশত নিজ জালেই বল ঢুকিয়ে দিলে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে তারা। এরপর ১২তম মিনিটে ডি-বক্সে ঢুকে জোরালো শটে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম গোলটি করেন জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানি।
-
পাজ ও আলভারেজের ছন্দ: ১৫ মিনিট না পেরোতেই দারুণ ফিনিশিংয়ে দলের চতুর্থ গোলটি পান নিকো পাজ। প্রথমার্ধের শেষভাগে দৃষ্টিনন্দন এক গোলে দলের পঞ্চম গোল আদায় করেন হুলিয়ান আলভারেজ।
-
তরুণদের শেষ পেরেক: বিরতির পর বদলি হিসেবে নেমে আর্জেন্টিনার হয়ে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল নিশ্চিত করেন ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুওনো। অবশেষে যোগ করা সময়ের (৯০+৩ মিনিট) তৃতীয় মিনিটে জিউলিয়ানো সিমিওনে বুরকিনা ফাসোর কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিলে ৭-০ গোলের বড় জয় নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার।
প্রথম ম্যাচে বলিভিয়াকে ৪-০ গোলে হারানোর পর বুরকিনা ফাসোকে ৭ গোলে ভাসিয়ে চমৎকার ফর্মে থেকে পরবর্তী ম্যাচের জন্য প্রস্তুত আর্জেন্টিনা।