হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় আইফোন মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার লোভে বন্ধু তারেক মিয়াকে (২২) গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সাহেল নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। নিখোঁজের ছয় দিন পর একটি ডোবা থেকে তারেকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে লাখাই ও নবীগঞ্জ থানা-পুলিশের যৌথ অভিযানে লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের শাহ আলমের বাড়ির সামনের রাস্তার উত্তর পাশে একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত তারেক মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলার চৌশতপুর গ্রামের মারফত উল্লাহর ছেলে। অভিযুক্ত সাহেল একই গ্রামের নুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতে তারেক ও সাহেল লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে আসেন। সেখানে কাজ করার সময় তারেকের ব্যবহৃত আইফোনের প্রতি সাহেলের লোভ জন্মায়। অভিযোগ রয়েছে, পরদিন ২২ অক্টোবর রাতে কৌশলে তারেককে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন সাহেল। পরে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে পাশের একটি ডোবায় ফেলে রাখা হয়।
এদিকে, তারেক বাড়িতে ফিরে না যাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা নবীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ওই জিডির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। একপর্যায়ে প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত সাহেলকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সাহেল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ডোবা থেকে তারেকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় আরও বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক



