বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) সচিবালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্বালানিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বৈশ্বিক সংকট ও সরকারের অবস্থান
জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, “চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে এর দামেও অস্থিরতা চলছে। বর্তমানে জ্বালানি আমদানির প্রধান উৎস হিসেবে প্রধানত যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, কারণ অন্যান্য উৎসগুলোর সরবরাহ স্বাভাবিক নেই। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির দাম সহনীয় ও স্বাভাবিক রাখতে সরকার সর্বোচ্চ কাজ করে যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি সরকার। জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রেখে দায়িত্ব দিয়েছে। সুতরাং কৃত্রিম সংকট তৈরি করে জনগণকে কোনো ভোগান্তির মুখে ঠেলে দেওয়া হলে সরকার তা বরদাশত করবে না। কথায় কথায় ধর্মঘট ডেকে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
আলোচনার আহ্বান ও আগামী পদক্ষেপ
ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের পথ পরিহার করে আলোচনার টেবিলে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি জানান, এলপিজি ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন বাস্তবিক সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের বিষয়ে বুধবারে আলোচনা হয়েছে। তাদের দাবি-দাওয়ার বিষয়গুলো পর্যালোচনার জন্য চলতি মাসেই (অক্টোবর) আবারও বৈঠকে বসবে জ্বালানি মন্ত্রণালয়।




