বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) আয়োজিত তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে এ জয় পায় লঙ্কানরা। এর আগে প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই সিরিজ নিশ্চিত করেছিল পাকিস্তান।
কুশলের বিধ্বংসী ফিফটি ও শ্রীলঙ্কার জয়
শ্রীলঙ্কার ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় মূল কারিগর ছিলেন তারকা ব্যাটার কুশল মেন্ডিস। ৪৮ বলে ৮৭ রানের এক ঝলমলে ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাঁর এই লড়াকু ইনিংসে শ্রীলঙ্কার জয় অত্যন্ত সহজ হয়ে ওঠে। অন্যপ্রান্তে তাঁকে চমৎকার সঙ্গ দেন কামিন্দু মেন্ডিস (২৭ বলে অপরাজিত ৪০) এবং তরুণ সিনেথ জয়াবর্ধনে (২৬ বলে ৩৮)। দুই মেন্ডিসের শক্ত জুটিতে নিশ্চিত হয় শ্রীলঙ্কার বিশাল জয়।
ফারহানের লড়াই ও লঙ্কান বোলিং নিয়ন্ত্রন
এর আগে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৬৮ রান তোলে পাকিস্তান। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান একপ্রান্ত ধরে রেখে ৪৭ বলে ৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৭৬ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এছাড়া আরাফাত মিনহাস করেন ৩৪ রান।
শ্রীলঙ্কার বোলারদের মধ্যে অধিনায়ক দাসুন শানাকা ২১ রান দিয়ে ৩টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া নুয়ান থুশারা ও ইশান মালিঙ্গা ২টি করে এবং তরুণ লেগ স্পিনার বিজয়কান্ত ভিয়াসকান্ত ১টি উইকেট নেন। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফারহান শেষ পর্যন্ত লড়লেও অন্য ব্যাটারদের শ্রীলঙ্কার টাইট বোলিংয়ের মুখে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে হয়, ফলে ১৭০ রানের নিচেই আটকে যায় পাকিস্তানের সংগ্রহ।
ধারাবাহিকতায় ফেরার ইঙ্গিত
সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হারলেও শেষ ম্যাচের এই দাপুটে জয় এবং তরুণ ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্স লঙ্কান শিবিরের ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। আগামী বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে এই জয় শ্রীলঙ্কার তরুণদের সামনে বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বোদ্ধারা।




