বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
রাহুল গান্ধীর প্রতিক্রিয়া ও অবস্থান
সম্প্রতি যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত সিজিপির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে গ্রেপ্তার করে আদালত ৫ দিনের বিচারিক হেফাজতে পাঠিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানো কোনো অপরাধ হতে পারে না। তরুণদের কারাগারে পাঠানো বর্তমান সরকারের চরম কাপুরুষতার বহিঃপ্রকাশ।”
কংগ্রেস নেতা আরও জোর দিয়ে উল্লেখ করেন, নাগরিক সমাজ, শিক্ষার্থী এবং ‘ইন্ডিয়া’ জোটের ব্যানারে পরিচালিত সকল আন্দোলন মূলত সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার অভিন্ন লড়াইয়ের অংশ। সরকারের নিষেধাজ্ঞার তীব্র বিরোধিতা করে তিনি বলেন, যন্তর মন্তর ভারতের জনগণের যৌথ সম্পদ এবং জনগণ শিগগিরই তা পুনর্দখল করবে।
সিজিপির প্রতিক্রিয়া ও বিরোধী জোটের সমর্থন
রাহুল গান্ধীর এই সাহসী অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজিপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সহযোদ্ধাদের কারাবন্দি করার নির্দেশে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “দেশের রাজধানীতে নিজ দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা কবে থেকে শান্তিভঙ্গের অপরাধ হয়ে দাঁড়াল?”
সিজিপির এই আন্দোলনে এর আগে আইসা নেত্রী নেহা বোরাও রাহুল গান্ধীর সঙ্গে মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়া আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য অভিষেক ব্যানার্জি, ডিএমকে প্রধান এমকে স্ট্যালিন এবং শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা আদিত্য ঠাকরেও সিজিপি নেতাদের গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।




