মূল খবরে যান

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার পথ বন্ধ করার উদ্যোগ: আইনমন্ত্রীকলকাতায় তৃণমূলের মিছিল এক পা-ও এগোতে দেব না: শুভেন্দুইইউর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশসৈয়দপুর রেলকারখানায় কাজের নিম্নমানে ক্ষুব্ধ মন্ত্রী, 'নিজের বাড়ির জানালা এভাবে সংস্কার করতেন?'‘পরিসংখ্যানই কথা বলে, আমিই সর্বকালের সেরা’: বিতর্কের মুখে ওয়েবসাইট থেকে উধাও রোনালদোর সাক্ষাৎকারইরানকে চীন ও রাশিয়ার সহায়তার খবর বিশ্বাস করেন না ট্রাম্পপ্রয়াত হয়েছেন ‘ব্রেকিং ব্যাড’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা আরজে মিতেচলতি বছর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.২ শতাংশ এবং বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ৪.৭ শতাংশে পৌঁছানোর শঙ্কা আইএমএফের
বিশ্ব

ইরানকে চীন ও রাশিয়ার সহায়তার খবর বিশ্বাস করেন না ট্রাম্প

চীন ও রাশিয়া আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইরানকে কোনো ধরনের বড় সামরিক বা কৌশলগত সহযোগিতা করছে বলে বিশ্বাস করেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মতে, তেহরানকে সহযোগিতা করার মতো পদক্ষেপ নিলে বেইজিং ও মস্কোর বিশাল অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হবে।

ইরানকে চীন ও রাশিয়ার সহায়তার খবর বিশ্বাস করেন না ট্রাম্প

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ট্রাম্পের বক্তব্য ও ট্রুথ সোশ্যাল পোস্ট

তেহরানকে বেইজিং ও মস্কোর গোপনে মদদ দেওয়ার খবরের জবাবে ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, “তারা (চীন ও রাশিয়া) যদি ইরানকে সাহায্য করে থাকে, তবে তা অত্যন্ত সীমিত বা নগণ্য পর্যায়ে করা হচ্ছে। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি তা মোটেই বিশ্বাস করি না। কারণ তারা এমন কোনো পদক্ষেপ নিলে মার্কিন প্রশাসন ও আমাদের গোয়েন্দারা খুব দ্রুতই তা জানতে পারত।”

এই বক্তব্যের মাধ্যমে ট্রাম্প তাঁর পূর্বের অবস্থানের পুনরাবৃত্তি করলেন। এর আগে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ব্যক্তিগত বৈঠকে ট্রাম্পকে আশ্বাস দিয়েছেন তারা ইরানের কাছে কোনো ধরনের অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করবেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ ও চীন-ইরান সম্পর্ক

অবশ্য ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে সামরিক সহায়তার অভিযোগ এনে ইতোমধ্যে বেশ কিছু চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন বাহিনীর ওপর নজরদারি ও হামলায় ব্যবহৃত স্যাটেলাইট ইমেজ সরবরাহের অভিযোগে চীনের কয়েকটি সংস্থাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছিল। তবে বেইজিং শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের পটভূমি

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এর জবাবে ইরান ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট ‘হরমুজ প্রণালী’ অবরুদ্ধ করে দেয়।

পরবর্তীতে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি খসড়া সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও নীতিগত মতভেদের কারণে তা এখন স্থবির হয়ে আছে।

বিশ্ব
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে