জরুরি অবস্থা জারির পরপরই প্রদেশটির মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি এবং পিটিআইয়ের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর পদক্ষেপের নেপথ্য
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, প্রদেশটিতে জঙ্গিবাদ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকার এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গত তিন বছর ধরে কারাবন্দি দলপ্রধান ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পিটিআইয়ের সমর্থক ও নেতাকর্মীদের রাজধানী অভিমুখে পূর্বঘোষিত লংমার্চ ও বড় ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রতিরোধের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আন্দোলন থামাতে এবং খাইবার পাখতুনখোয়া থেকে কর্মী-সমর্থকদের রাজধানী ইসলামাবাদে প্রবেশ রুখতে আগে থেকেই বড় বড় কনটেইনার বসিয়ে প্রধান সড়ক ও মহাসড়কগুলো আটকে দিয়েছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পিটিআইয়ের তীব্র প্রতিক্রিয়া
কেন্দ্রীয় সরকারের এমন একতরফা সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পিটিআই। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সরকার যেভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে, তাতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে সংঘাত ও তীব্র রক্তপাত বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপকে অগণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দিয়েছে দলটি।




