বাণীতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আজকের কন্যাশিশু জাতির ভবিষ্যৎ। সঠিক শিক্ষা, সুস্বাস্থ্য, দক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে প্রতিটি কন্যাশিশু পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য অমূল্য সম্পদে পরিণত হবে।”
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাল্যবিবাহ, শিশু নির্যাতন ও বৈষম্য নিরসনে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটিগুলো পুনর্গঠন ও কিশোর-কিশোরী ক্লাবগুলো আরও সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কন্যাশিশুর মেধা ও সম্ভাবনা বিকাশে পারিবারিক শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া ও সরকারি প্রতিশ্রুতি
পৃথক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, নিরাপত্তাহীনতা বা বাল্যবিবাহের কারণে থমকে না যায়—তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার স্পষ্ট নীতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।”
নারী ও কন্যাশিশুর আত্মসামাজিক সুরক্ষার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের একটি বড় পদক্ষেপ হলো ‘ফ্যামিলি কার্ড’, যা প্রতিটি পরিবারের গৃহকর্ত্রীর নামে ইস্যু করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাস্তব ও ডিজিটাল—উভয় মাধ্যমেই কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও মতামত প্রকাশের স্বাধীন পরিবেশ তৈরিতে সরকার বদ্ধপরিকর।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উভয়েই আগামী দিনের সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে কন্যাশিশুদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অভিভাবক ও সমাজের ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।




