রোববার (১১ অক্টোবর ২০২৬) ভোর রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাংপাই গ্রামে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফরিদ আমিন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি ওই গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে।
চুরির মামলা ও পুলিশের বক্তব্য
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানায় করা একটি ব্যাংকের টাকা চুরির মামলায় আদালত কেএম ফরিদ আমিনকে তিন বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। তিনি ওই ব্যাংকে গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত থাকার সময় এ ঘটনাটি ঘটান। সাজা ঘোষণার পর থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
চৌদ্দগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবুল কালাম গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুযায়ী সাজাপ্রাপ্ত আসামি ফরিদ আমিনকে রোববার দুপুরে কুমিল্লার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বাবার ওপর নির্যাতন ও নানা বিতর্কের অভিযোগ
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, কেএম ফরিদ আমিনের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। গত বছরের ৪ ডিসেম্বর নিজের জন্মদাতা বাবা রুহুল আমিন তাকে মারধর ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে চৌদ্দগ্রাম থানায় ফরিদ আমিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। পরবর্তীতে ৮ ডিসেম্বর ছেলের উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলনও করেন ভুক্তভোগী বাবা।
উল্লেখ্য, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার কথা ছিল ফরিদ আমিনের। তবে নানা বিতর্কের কারণে প্রশাসনের নজরদারিতে থাকায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।




