মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
বিশ্ব

গঙ্গা চুক্তি নবায়নে পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থ রক্ষার দাবি

গঙ্গা চুক্তি নবায়নে পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থ রক্ষার দাবি

নিউজ ডেস্ক:


বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। চুক্তিটি নবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হলে পশ্চিমবঙ্গের পানি, বন্দর ও শিল্প খাতের স্বার্থ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে রাজ্য সরকার।
রাজ্যের এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রোববার ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের ন্যায্য দাবি ও স্বার্থ সংরক্ষণে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে রাজ্য সরকার।
ভারতের কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রণালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিনিধিরা বিষয়টি তুলে ধরেন। রাজ্যের বিভিন্ন শিল্প খাতে গঙ্গার পানির চাহিদা এবং নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি প্রতিবেদনও বৈঠকে জমা দেওয়া হয়েছে।
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে ফারাক্কা ব্যারেজের মাধ্যমে ভাগীরথী-হুগলি নদী ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত পানির প্রবাহ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, নতুন কোনো চুক্তি হলে সেখানে পশ্চিমবঙ্গের ন্যায্য চাহিদা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে ভাটি অঞ্চলে ভাগীরথী-হুগলি নদী ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত পানির প্রবাহ বজায় রাখা জরুরি বলে মনে করছে রাজ্য সরকার।
পশ্চিমবঙ্গের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হুগলি নদীতে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় নৌ চলাচলে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে ফারাক্কা ব্যারেজের উজান ও ভাটি অঞ্চলের মালদা, মুর্শিদাবাদ ও নদীয়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় নদীভাঙনের ঘটনাও ঘটছে।
ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া এবং আর্সেনিক দূষণের বিষয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
রাজ্য সরকারের মতে, নদীতে পানির প্রবাহ কমে যাওয়া এবং অতিরিক্ত পলি জমার প্রভাব শুধু নদী ব্যবস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এর কারণে নৌ চলাচল ও বন্দর কার্যক্রমও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অতিরিক্ত পলি জমার ফলে একদিকে বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দরে জাহাজ চলাচলেও এর প্রভাব পড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তি দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকার মধ্যেই এবার বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।
বর্তমান দুই দেশের সম্পর্কের বাস্তবতায় চুক্তিটি নির্ধারিত সময়ে নবায়ন হবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকারের অবস্থানও ভবিষ্যৎ আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এর আগে ২০১১ সাল থেকে তিস্তার পানিবণ্টন নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একাধিকবার চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।
গত ১৭ মে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিতে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নের আলোচনা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। কারণ সীমান্তের দুই পাশের মানুষের কাছেই গঙ্গার পানি বণ্টনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz