মূল খবরে যান

রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬৯ কার্তিক ১৪৩৩

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
ইনস্টাগ্রামে ফলো করেন না বিজয়, রাশমিকার সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জন নিয়ে যা জানা যাচ্ছেপ্রকাশ পেল 'ডি থ্রি ট্রফি' টি-টোয়েন্টি সংস্করণের পূর্ণাঙ্গ সূচি, উদ্বোধনী ও ফাইনাল ম্যাচ বরিশালেআলফাডাঙ্গায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পাট-পেঁয়াজ-চালসহ ৯ গুদাম পুড়ে ছাই, ক্ষতি কোটি টাকাআট দিন পর বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি শুরু, বন্দরে ফিরল প্রাণচাঞ্চল্যপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: স্থগিত হলো একনেকের বৈঠক, পিছাল ১৫ প্রকল্পটানা চার দফায় স্বর্ণের দামে বড় পতন, কমল ১০ হাজার টাকার বেশিজীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে উত্তাল বিক্ষোভ: সংঘর্ষ ও ভাঙচুর, গ্রেফতার প্রায় ১০০০প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে তাড়াহুড়ো করে সংস্কার: ৭ দিনও টিকল না রংপুরের সেই সড়ক!
বিশ্ব

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে উত্তাল বিক্ষোভ: সংঘর্ষ ও ভাঙচুর, গ্রেফতার প্রায় ১০০০

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে উত্তাল বিক্ষোভ: সংঘর্ষ ও ভাঙচুর, গ্রেফতার প্রায় ১০০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও রেকর্ড মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে ফ্রান্সে আয়োজিত বিক্ষোভের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজধানী প্যারিসসহ দেশজুড়ে নতুন করে ব্যাপক সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, জলকামান ও লাঠিচার্জের মতো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই দফায় সহিংসতার অভিযোগে প্রায় এক হাজার বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করেছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ যখন ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট সামলানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, ঠিক তখনই এই তীব্র গণবিক্ষোভ সরকারের ওপর চাপ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

৭০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী ও ব্যাপক জনসমাগম

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেস জানান, শনিবারের বিক্ষোভে কালো পোশাক পরা একটি উগ্র গোষ্ঠী চরম বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা চালায়। দেশজুড়ে এই ব্যাপক সহিংসতা মোকাবিলায় প্রায় ৭০ হাজার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল।

পুলিশের প্রাথমিক হিসাব এবং বিক্ষোভের আয়োজক ‘সিজিটি ইউনিয়ন’-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবারের (২৪ অক্টোবর) এই কর্মসূচিতে সারা ফ্রান্সে ৪ লাখ ১০ হাজার থেকে ৮ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে আসেন। এর মধ্যে কেবল রাজধানী প্যারিসেই সমাগম ঘটেছিল ১ লাখ ১০ হাজার থেকে আড়াই লাখ মানুষের।

প্যারিসে কড়াকড়ি ও ভাঙচুর

পরিস্থিতি সামাল দিতে প্যারিসের কেন্দ্রস্থলে বিপণিবিতানগুলোতে ভাঙচুর ও লুটপাট এড়ানোর স্বার্থে দোকানপাট এবং ঐতিহাসিক লুভর জাদুঘর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। মূল মিছিলটি অনেকাংশেই শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও শেষ মুহূর্তে পুলিশের সাথে কিছু গোষ্ঠীর সংঘর্ষ বেঁধে যায়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ও জলকামান নিক্ষেপ করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।

সহিংসতার এই ঘটনায় তুলুজ ও ক্লারমন্ট-ফের্যান্ড শহরে অন্তত দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। সরকারের এমন কঠোর দমনের তীব্র সমালোচনা করে লিও শহরের এক বিক্ষোভকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "বিক্ষোভ এভাবে শক্তি প্রয়োগ করে দমন করার অর্থ হলো আমরা ক্রমশ একটি স্বৈরাচারী শাসনের দিকে এগোচ্ছি।"

ম্যাক্রোঁ সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ফ্রান্সে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এবং মূল্যস্ফীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এর সরাসরি ধাক্কায় আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র ছয় মাস আগে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সরকারের ওপর রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপ চরমে পৌঁছেছে।

শুধু ফ্রান্সেই নয়, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং শিক্ষাসংক্রান্ত একই ধরনের তীব্র অসন্তোষ থেকে প্রতিবেশী দেশ ইতালি, বেলজিয়াম, স্পেন এবং পর্তুগালেও এখন এমন প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ ছড়াতে শুরু করেছে।

বিশ্ব
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।