মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
জাতীয়

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে প্রকম্পিত শাহবাগ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যায় দলগতভাবে অংশ নেওয়ায় পতিত আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে নিষিদ্ধ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে দলগত বিচারের বিধান যুক্ত এবং অবিলম্বে জুলাই ঘোষণাপত্র জারির দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে চলছে 'ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য'র ব্যানারে গণজমায়েত। শনিবার বিকাল ৩টায় শুরু হওয়া এ জমায়েতে স্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছে পুরো এলাকা। ফাঁকে ফাঁকে চলছে গানও। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগে চলমান ব্লকেড কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। উত্তপ্ত আবহাওয়ার মধ্যেই শাহবাগ মোড়ের বিভিন্ন স্থানে গোল হয়ে ব্লক তৈরি মাইক-হ্যান্ড মাইকে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে— 'আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ, করতে হবে করতে হবে', 'ব্যান ব্যান, আওয়ামী লীগ', 'আওয়ামী লীগের নিবন্ধন, বাতিল কর করতে হবে', 'দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা', 'লীগ ধর, জেলে ভর', 'একটা একটা লীগ, ধইরা ধইরা জেলে ভর', 'ওয়ান টু ত্রি ফোর, আওয়ামী লীগ নো মোর', 'দফা এক দাবি এক, লীগ নট কাম ব্যাক', 'আওয়ামী লীগের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না', 'সারা বাংলায় খবর দে, আওয়ামী লীগের কবর দে', 'আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে', 'এক দুই তিন চার, চুপ্পু তুই গদি ছাড়', 'ক্ষমতা না জনতা, জনতা জনতা', দলালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ', 'দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেবো রক্ত', রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়', 'আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ', আপোষ না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম', ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ', 'একশন টু একশন, ডায়রেক্ট একশন', 'একশন টু একশন, ছাত্র-জনতার একশন'... জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা বাংলাদেশের রণ সংগীত 'চল্ চল্ চল্', কাণ্ডারি হুঁশিয়ার এবল 'তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর, পাড়ি দেবো রে'সহ নানা প্রতিবাদী গান। গণজমায়েত কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন, হেফাজতে ইসলাম, ইসলামী ছাত্রশিবির, জুলাই ঐক্য, ইনকিলাব মঞ্চ, ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশসহ (আপ বাংলাদেশ) বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ছাত্র-জনতা। এ জমায়েতে পুরুষের পাশাপাশি নারীসহ সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশের উপস্থিতি লক্ষণীয়। এ ছাড়া অনেকের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও ফিলিস্তিনি পতাকাও শোভা পাচ্ছে, অনেকের মাথায় আবার জাতীয় পতাকা রয়েছে। আসর ও মাগরিবের নামাজের জামায়াতও হতে দেখা যায়।

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে প্রকম্পিত শাহবাগ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যায় দলগতভাবে অংশ নেওয়ায় পতিত আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে নিষিদ্ধ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে দলগত বিচারের বিধান যুক্ত এবং অবিলম্বে জুলাই ঘোষণাপত্র জারির দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে চলছে 'ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য'র ব্যানারে গণজমায়েত।

শনিবার বিকাল ৩টায় শুরু হওয়া এ জমায়েতে স্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছে পুরো এলাকা। ফাঁকে ফাঁকে চলছে গানও। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগে চলমান ব্লকেড কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

উত্তপ্ত আবহাওয়ার মধ্যেই শাহবাগ মোড়ের বিভিন্ন স্থানে গোল হয়ে ব্লক তৈরি মাইক-হ্যান্ড মাইকে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে— 'আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ, করতে হবে করতে হবে', 'ব্যান ব্যান, আওয়ামী লীগ', 'আওয়ামী লীগের নিবন্ধন, বাতিল কর করতে হবে', 'দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা', 'লীগ ধর, জেলে ভর', 'একটা একটা লীগ, ধইরা ধইরা জেলে ভর', 'ওয়ান টু ত্রি ফোর, আওয়ামী লীগ নো মোর', 'দফা এক দাবি এক, লীগ নট কাম ব্যাক', 'আওয়ামী লীগের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না', 'সারা বাংলায় খবর দে, আওয়ামী লীগের কবর দে', 'আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে', 'এক দুই তিন চার, চুপ্পু তুই গদি ছাড়', 'ক্ষমতা না জনতা, জনতা জনতা', দলালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ', 'দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেবো রক্ত', রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়', 'আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ', আপোষ না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম', ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ', 'একশন টু একশন, ডায়রেক্ট একশন', 'একশন টু একশন, ছাত্র-জনতার একশন'...

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা বাংলাদেশের রণ সংগীত 'চল্ চল্ চল্', কাণ্ডারি হুঁশিয়ার এবল 'তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর, পাড়ি দেবো রে'সহ নানা প্রতিবাদী গান।

গণজমায়েত কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন, হেফাজতে ইসলাম, ইসলামী ছাত্রশিবির, জুলাই ঐক্য, ইনকিলাব মঞ্চ, ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশসহ (আপ বাংলাদেশ) বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ছাত্র-জনতা। এ জমায়েতে পুরুষের পাশাপাশি নারীসহ সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশের উপস্থিতি লক্ষণীয়। এ ছাড়া অনেকের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও ফিলিস্তিনি পতাকাও শোভা পাচ্ছে, অনেকের মাথায় আবার জাতীয় পতাকা রয়েছে। আসর ও মাগরিবের নামাজের জামায়াতও হতে দেখা যায়।

জাতীয়
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz