পবিত্র কোরআন মানবজাতির জন্য আল্লাহর সর্বশেষ ও পূর্ণাঙ্গ হিদায়াতগ্রন্থ এবং জীবনবিধান। কোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ও আদর্শ প্রচার এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে কোরআনের খেদমত অব্যাহত রাখা ঈমানি দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বঙ্গভবনে আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা বাংলাদেশের মহাসচিব শায়েখ সাদ সাইফুল্লাহ মাদানীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল পবিত্র কোরআনের শিক্ষা বিস্তার, বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের চর্চা, যুগোপযোগী ক্বারি ও কোরআন বিশেষজ্ঞ তৈরির উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আলোচনা করেন।
এ সময় কোরআনকেন্দ্রিক শিক্ষা, গবেষণা, দাওয়াহ ও দ্বীনি খেদমতকে আরও সুসংহত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
রাষ্ট্রপতি প্রতিনিধিদলের বক্তব্য শোনেন এবং আন্তর্জাতিক ক্বারি সাইদুল ইসলাম আসাদের কোরআন তিলাওয়াত মনোযোগ দিয়ে শোনেন। পাশাপাশি তিনি সম্মেলনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
এ সময় আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগামী ১২ নভেম্বর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সম্মেলনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




