মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
জাতীয়

মমেক হাসপাতালে হাম ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে

মমেক হাসপাতালে হাম ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে

মমেক হাসপাতালে হাম ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে

ময়মনসিংহ সংবাদদাতা:

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে হামের প্রকোপ আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে। গত তিন মাসে হাসপাতালটিতে হাম ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যাকে ‘সন্দেহজনক হাম’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন চিকিৎসকরা। এ নিয়ে গত ১৭ মার্চ থেকে চলমান এই প্রাদুর্ভাবে মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ মারা যাওয়া শিশুটি একটি ১০ মাস বয়সী ছেলে। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায়। গত ২ জুন সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে তাকে মমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। টানা ১০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গতকাল ১২ জুন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
 চিকিৎসকদের ডেথ সার্টিফিকেট অনুযায়ী, শিশুটির মৃত্যুর কারণ ‘সাসপেক্টেড হামের পাশাপাশি সেপটিক শক, নিউমোনিয়া এবং বাঁ ফুসফুসে পানি জমা (প্লুরাল ইফিউশন)’।

হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মমেক হাসপাতালে হাম আক্রান্ত রোগীর চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৯ জন রোগী হাম ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন। তবে এই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেনি কেউ। বর্তমানে হাসপাতালটিতে সর্বমোট ১০০ জন হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে আজ ১৩ জুন পর্যন্ত হাসপাতালটিতে সর্বমোট ২ হাজার ৬২ জন হাম আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১ হাজার ৯১২ জন। তবে এর বিপরীতে মৃত্যুর হার অর্ধশত স্পর্শ করায় উদ্বিগ্ন চিকিৎসক ও অভিভাবকেরা।

সার্বিক পরিস্থিতি ও হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, হাম আক্রান্ত শিশুদের জীবন বাঁচাতে আমাদের চিকিৎসকেরা দিনরাত সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দুর্ভাগ্যবশত, হাসপাতালে আসা রোগীদের একটি বড় অংশই একদম শেষ মুহূর্তে, যখন পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়ে, তখন ভর্তি হচ্ছে। সর্বশেষ মারা যাওয়া শিশুটির ক্ষেত্রেও হামের পাশাপাশি নিউমোনিয়া এবং সেপটিক শকের মতো মারাত্মক জটিলতা ছিল।

শিশুদের তীব্র জ্বর এবং শরীরে র‍্যাশ বা গুটি দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত কাছের স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতালে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

জাতীয়
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz