মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
জাতীয়

আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও খেলাপি ঋণে বিশেষ এক্সিট সুবিধা

আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও খেলাপি ঋণে বিশেষ এক্সিট সুবিধা

আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও খেলাপি ঋণে বিশেষ এক্সিট সুবিধা

অনলাইন ডেস্ক:  

ব্যাংকের পর এবার আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও (ফাইন্যান্স কোম্পানি) খেলাপি ঋণ কমাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ‘মন্দ ও খেলাপি’ ঋণ সহজে শোধ করার জন্য বিশেষ ‘এককালীন এক্সিট’ সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন নীতিমালার আওতায় নির্দিষ্ট শ্রেণির খেলাপি গ্রাহকরা এককালীন পুরো আসল অর্থ পরিশোধ করলে প্রয়োজন অনুযায়ী ঋণের সুদ আংশিক বা পুরোপুরি মওকুফের সুযোগ পাবেন। তবে কোনো অবস্থাতেই মূল ঋণ (আসল) মওকুফ করা যাবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে ‘অনাদায়ি ঋণ আদায় বা সমন্বয়ে বিশেষ এক্সিট-সংক্রান্ত নীতিমালা’ শীর্ষক একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্স কোম্পানি প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (এফসিআরপিডি)।

এর আগে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণখেলাপিদের জন্যও ঠিক একই ধরনের বিশেষ সুবিধা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এবার আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর তারল্যসংকট কাটানো এবং আটকে থাকা টাকা দ্রুত বাজারে ফিরিয়ে আনতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হলো।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে অনেক সময় অনিচ্ছাকৃতভাবেই ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হন। ব্যবসা বা শিল্পপ্রতিষ্ঠান লোকসানে পড়লে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও আর সময়মতো ঋণের টাকা ফেরত পায় না। এই পরিস্থিতিতে যেসব গ্রাহক আসলে টাকা ফেরত দিয়ে দায়মুক্ত হতে চান, তাদের জন্য সহজ একটি পথ তৈরি করতেই এই এককালীন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এই বিশেষ সুবিধার প্রধান শর্ত হলো গ্রাহককে তার পুরো বকেয়া ঋণ এককালীন বা একবারে পরিশোধ করে হিসাবটি পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। তবে গ্রাহকদের সুবিধার্থে এই প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই ঋণের মূল বা আসল টাকা মওকুফ করা যাবে না। শুধু পরিস্থিতি বিবেচনা করে ঋণের ওপর জমে থাকা সুদের অংশটি মাফ করা যেতে পারে। আর যদি কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ প্রয়োজনে বড় অঙ্কের সুদ মওকুফ করতে হয়, তবে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অডিট বিভাগ এবং ইন্টারনাল কন্ট্রোল বিভাগের মতামত ও অনুমোদন নিতে হবে, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম না হয়। যারা ঋণের অর্থ পাচার করেছেন কিংবা জালিয়াতি ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ঋণ নিয়েছেন, তাদের এই বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, গত ৬ আগস্ট ২০২৪ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে যেসব মন্দ ঋণ নতুন করে পুনঃতপশিল (টাকা পরিশোধের সময় বাড়ানো) করা হয়েছিল, সেই গ্রাহকরা চাইলে এই এককালীন এক্সিট সুবিধা নিতে পারবেন।

জাতীয়
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz