জাতীয়

মির্জা ফখরুলই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারেক রহমানের

মির্জা ফখরুলই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারেক রহমানের

জি এম রফিক :
বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়ন প্রায় চূড়ান্ত বলে জানা গেছে। বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীর সম্মতিসূচক স্বাক্ষর বা লিখিত সম্মতিপত্র জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মির্জা ফখরুল গত শনিবার এ ধরনের একটি লিখিত সম্মতিতে স্বাক্ষর করেছেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে সম্মতির বিষয়টি লিখিতভাবে নিশ্চিত করতে হয়। একই সঙ্গে সংসদ সদস্যের প্রস্তাব ও সমর্থনও প্রয়োজন।
তবে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মির্জা ফখরুলের নাম ঘোষণা করা হয়নি।
এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় বিরোধী জোট। জোটটি বিএনপির সাবেক নেতা ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করেছে।
ফলে দীর্ঘদিন পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
মনোনয়ন চূড়ান্তের পথে মির্জা ফখরুল
রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলকে প্রার্থী করার বিষয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা বেশ কিছুদিন ধরেই চলছিল। গত ২ আগস্ট বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর দেওয়া হয়।
এরপর দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মির্জা ফখরুলের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন মির্জা ফখরুল। ২০১১ সালে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পান। ২০১৬ সালের জাতীয় কাউন্সিলে আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসচিব নির্বাচিত হন।
দলের দুই শীর্ষ নেতা খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্ব এবং তারেক রহমানের লন্ডনে অবস্থানের সময় বিএনপির সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনায় মির্জা ফখরুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি ছয়বার কারাগারেও যান।
দলের ভেতরে ও বাইরে তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে তাঁর একটি অবস্থান তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন বিএনপির নেতারা।
মহাসচিবের পদে কে?
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে বিএনপির মহাসচিবের পদটি শূন্য হবে। ফলে এখন থেকেই দলের পরবর্তী মহাসচিব কে হচ্ছেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিএনপির অভ্যন্তরীণ আলোচনায় আপাতত দুটি নাম বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। তাঁরা হলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, জাতীয় কাউন্সিলের আগে সাময়িকভাবে একজন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নিয়োগ করা হতে পারে। পরে জাতীয় কাউন্সিল অথবা কাউন্সিলকে ঘিরে অনুষ্ঠিত দলীয় প্রক্রিয়ায় মহাসচিব পদে স্থায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
রুহুল কবির রিজভী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেননি এবং তাঁকে মন্ত্রিসভাতেও রাখা হয়নি। এ কারণে দলের একটি অংশ মনে করছে, মহাসচিবের পদ শূন্য হলে রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিরোধী জোটের প্রার্থী অলি আহমদ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের বিপরীতে প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য।
রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান।
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে প্রত্যাশিত উদ্যোগ নেয়নি। তাঁদের দাবি, সংস্কারের বিষয়ে বিএনপি এগিয়ে এলে সরকার ও বিরোধী দল মিলে রাষ্ট্রপতি পদে একজন অভিন্ন প্রার্থী দিতে পারত। তা না হওয়ায় বিরোধী জোট আলাদা প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অলি আহমদ নিজেও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। পরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি তাঁকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করার জন্য জোটের নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি নিজেকে একজন মুক্তিযোদ্ধা ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। রাষ্ট্রপতি পদে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়ার মধ্য দিয়ে ১১-দলীয় জোট দেশবাসীকে একটি রাজনৈতিক বার্তা দিতে চায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পরাজয়ের সম্ভাবনা জেনেও কেন লড়ছে বিরোধী জোট?
সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থীর জয়লাভের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। তারপরও অলি আহমদকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট।
জামায়াতের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তাঁরা সংসদে কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা তুলে ধরতে চান। বিরোধী দল হিসেবে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় থাকা এবং নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান জনগণের সামনে তুলে ধরাই তাঁদের অন্যতম লক্ষ্য।
জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেছেন, রাজনীতির সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা প্রয়োজন। তাঁদের মতে, এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে।
দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরও মনে করেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বিরোধী দলের গঠনমূলক রাজনৈতিক ভূমিকার একটি দৃষ্টান্ত তৈরি হতে পারে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট।
বিএনপি ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
একই প্রার্থীর নামে একাধিক মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একাধিক মনোনয়নপত্রের মধ্যে অন্তত একটি বৈধ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বৈধ প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন।
সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের নির্বাচনেও দুটি মনোনয়নপত্র জমা হয়েছিল।
গত ২৪ জুলাই মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর পদটি শূন্য হয়। বর্তমানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বিধান রয়েছে।
সংসদ সদস্যদের ভোটেই নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন না। সংসদ সদস্যদের প্রকাশ্য ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। প্রত্যেক সংসদ সদস্য একটি করে ভোট দিতে পারেন।
নির্বাচন কমিশন ভোট গ্রহণের জন্য ব্যালট পেপার প্রস্তুত করবে। ব্যালটে প্রার্থীদের নাম নির্ধারিত ক্রমানুসারে থাকবে এবং ভোটার হিসেবে সংসদ সদস্যকে নির্ধারিত নিয়মে স্বাক্ষর করে ভোট দিতে হবে।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য নিজ দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে তাঁর সংসদ সদস্য পদ শূন্য হওয়ার বিধান রয়েছে। ফলে সংসদে ক্ষমতাসীন দলের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থী সাধারণত প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পেলেও জয়ী হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা থাকে না।
১৯৯১ সালের পর এবারই আবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা
১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সরাসরি ভোটাভুটি হয়েছে মাত্র একবার।
ওই বছরের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ১৪০টি এবং আওয়ামী লীগ ৮৮টি আসন পায়। জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করে। সে সময় আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দিয়েছিল। ভোটাভুটিতে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
এরপর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দল থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়নি। ফলে ভোটাভুটিরও প্রয়োজন পড়েনি।
এবার সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও বিরোধী জোট প্রার্থী দেওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট গ্রহণের প্রয়োজন হচ্ছে।
৩৪৯ সংসদ সদস্য ভোটার
নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। তফসিল ঘোষণার দিনই বিভক্তি সংখ্যাসহ মোট ৩৪৯ জন ভোটারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
শুরুতে নির্বাচন কমিশনের ধারণা ছিল, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটাভুটির প্রয়োজন নাও হতে পারে। তবে বিরোধী জোট অলি আহমদকে প্রার্থী ঘোষণা করায় এখন ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে।
ইতিমধ্যে ব্যালট পেপার ছাপানো, ভোট গ্রহণের ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনে আলোচনা হয়েছে।
১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার পর একাধিক প্রার্থী বহাল থাকলে নির্বাচন কমিশন ব্যালট পেপার ছাপাবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলমান থাকা বাধ্যতামূলক নয়। অধিবেশন না থাকলে নির্বাচন কমিশন স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে ভোটের দিন নির্ধারণ করতে পারে। ভোটের দিন সংসদ সদস্যদের বৈঠক আহ্বান করা হবে এবং সেই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ
সব মিলিয়ে এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কেবল একজন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকছে না। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে বিএনপির প্রায় ১৬ বছরের মহাসচিব পদে নতুন নেতৃত্ব আসবে। ফলে দলটির অভ্যন্তরে নতুন নেতৃত্বের সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ব্যবধান জানা সত্ত্বেও কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী করে বিরোধী জোট যে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যাচ্ছে, তাতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
২০ আগস্টের ভোট তাই শুধু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করবে না; একই সঙ্গে বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ এবং সংসদীয় রাজনীতিতে বিরোধী জোটের ভূমিকার দিকেও নতুন করে নজর দেবে রাজনৈতিক মহল।