মূল খবরে যান

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
সংসদে ‘ডক্টর’, ‘অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ’ পদবি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীরবুড়িচংয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সিএনজিচালককে মারধর, গ্রেপ্তার ৩সিলেটে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ২চার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’ দেবে সরকারশরীর ও স্বাস্থ্য রক্ষায় ইসলামের সুমহান নির্দেশনা: ১০টি অমূল্য হাদিসমধ্যরাতেই শেষ হচ্ছে ইলিশ শিকারের নিষেধাজ্ঞা, হাতিয়ার জেলেদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্যভারত সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন কিউই পেসার লাকি ফার্গুসনটাঙ্গাইলে ট্রেন লাইনচ্যুত: আধাঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
আইন ও আদালত

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: কনস্যুলার সহায়তায় ব্যর্থতার অভিযোগে হাইকোর্টে রিট

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: কনস্যুলার সহায়তায় ব্যর্থতার অভিযোগে হাইকোর্টে রিট

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় প্রবাসীদের সময়মতো প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে জনস্বার্থমূলক রিট আবেদন করা হয়েছে।

রিটে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের এই ব্যর্থতাকে কেন বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাসমিয়াহ নুহিয়া আহমেদ জনস্বার্থে রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

যাদের বিবাদী করা হয়েছে

রিট আবেদনে যেসব সরকারি দপ্তর ও কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে:

  • সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

  • সচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

  • মহাপরিচালক, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড

  • সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত

  • জেদ্দায় বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল

  • সংশ্লিষ্ট শ্রম কল্যাণ উইংয়ের প্রধান

রিটের মূল ভিত্তি ও যুক্তিসমূহ

রিটে সংবিধানের ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের আলোকেই বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের আইনি ও মানবিক সুরক্ষার বিষয়টি জোরদারভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার সংবাদ প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে। বিদেশে আটক বাংলাদেশিদের জন্য আর্থিক অসচ্ছলতা, ভাষার ভিন্নতা এবং বিদেশের জটিল বিচার ব্যবস্থার কারণে নিজেদের উদ্যোগে আইনি লড়াই চালানো প্রায় অসম্ভব। তাই মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে থাকা নাগরিকদের জীবন রক্ষায় কূটনৈতিক ও কনস্যুলার সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।

হাইকোর্টের কাছে যেসব নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে

১. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জরুরি নির্দেশনা: বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের সব মিশনকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নির্দেশ পাঠাতে হবে, যাতে তারা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশিদের মামলা পর্যালোচনা করে আপিল বা ক্ষমা প্রার্থনার সময়সীমা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্ধারণ করে। ২. ১৪ দিনের মধ্যে হলফনামা: ওই দুই প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তাদের কী ধরনের কনস্যুলার সহায়তা দেওয়া হয়েছিল এবং এর নথি পর্যালোচনার বিবরণ দিয়ে ১৪ দিনের মধ্যে সরকারি হলফনামা দাখিলের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর সরকারের নেওয়া কূটনৈতিক পদক্ষেপকে স্বীকার করলেও রিটকারী উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আদৌ সময়মতো কনস্যুলার সুবিধা পেয়েছিলেন কি না, তা সরকারি নথির মাধ্যমেই নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

আইন ও আদালত
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।