মূল খবরে যান

শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬২২ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
দলের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করলে পুলিশে দিন: আমিনুল হক১৩ বছর পর নতুন জীবনের আশা, সাবেক শিবিরকর্মী সাব্বিরকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রীজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছাত্রদলের দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণাগণভোটের রায়ের সঙ্গে বিএনপি প্রতারণা করেছে: নাহিদ ইসলামএনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন, জানালেন চার কারণজয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ায় ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্রভৈরবে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ
জাতীয়

১৩ বছর পর নতুন জীবনের আশা, সাবেক শিবিরকর্মী সাব্বিরকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী

১৩ বছর পর নতুন জীবনের আশা, সাবেক শিবিরকর্মী সাব্বিরকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী

রাজনৈতিক সহিংসতায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে দিন কাটিয়েছেন সাবেক শিবিরকর্মী সাব্বির প্রামাণিক। একসময় জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও দুঃসময়ে নিজের রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাদের কাছে সহযোগিতা চেয়েও প্রত্যাশিত সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ তার। অবশেষে গণমাধ্যমে তার দুর্দশার খবর প্রকাশের পর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ এলাকায় রাজনৈতিক সহিংসতায় গুরুতর আহত হন সাব্বির। ওই ঘটনায় তার সহকর্মী শিবির নেতা আবু রুহানী নিহত হন। সাব্বিরের দাবি, হামলায় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। হার্ট, ফুসফুস ও কিডনিসহ বিভিন্ন স্থানে অস্ত্রোপচার করতে হয়। শরীরে দিতে হয় ৬৪টি সেলাই।

দীর্ঘ চিকিৎসার পর প্রাণে বাঁচলেও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি তিনি। অসুস্থ শরীর নিয়েই কখনো অটোরিকশা চালিয়ে, আবার কখনো মানুষের সহায়তা নিয়ে পরিবারের ভরণপোষণের চেষ্টা করেছেন।

এ অবস্থায় চাকরির আশায় জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সাব্বির। এমনকি দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানের কাছে খোলা চিঠিও লেখেন। তবে তার অভিযোগ, বারবার আশ্বাস পেলেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়নি।

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাব্বিরের জীবনসংগ্রামের খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নজরে আসে। এরপর তিনি নিজের প্রতিষ্ঠানে সাব্বিরের চাকরির ব্যবস্থা করেন।

বর্তমানে সাব্বির একটি পুষ্টি চালের মিল, সিমেন্টের ইট তৈরির কারখানা ও মাছের খামার দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাব-নিকাশও পরিচালনা করছেন। ম্যানেজার হিসেবে সম্মানজনক পদ ও ভালো বেতন পাচ্ছেন তিনি।

চাকরি পেয়ে আবেগাপ্লুত সাব্বির বলেন, জামায়াতের কাছে অনেকবার চাকরির জন্য গিয়েছেন, কিন্তু চাকরি পাননি। অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম তার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এখন ভালো বেতন পাচ্ছেন এবং পরিবারও স্বস্তিতে রয়েছে।

দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন সাব্বির। তার পরিবারের প্রত্যাশা, নতুন এই কর্মসংস্থানের মাধ্যমে আর্থিক সংকট কাটিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন তিনি।

রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে একজন অসহায় মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার ঘটনাটি ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছে।

জাতীয়
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz