মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
রাজনীতি

মাকে দেখে বাসায় ফিরলেন তারেক রহমান

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন বিএনপি নেতা তারেক রহমান।

মাকে দেখে বাসায় ফিরলেন তারেক রহমান

দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নিজ জন্মভূমিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সূচনা হয়। গত বুধবার লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে রওয়ানা হওয়া বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনারটি সিলেট হয়ে ঢাকায় পৌঁছায়। বিমানবন্দরে নামার পর থেকেই এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যেখানে প্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে উপস্থিত ছিলেন দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূলের হাজারো নেতাকর্মী।

বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছালে তাকে প্রথম ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরপর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে একে একে আলিঙ্গন করেন তারেক রহমান। দীর্ঘ সময় পর সহযোদ্ধাদের কাছে পেয়ে তিনি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন; বিশেষ করে তার শাশুড়ি তাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন। স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানও এই সফরের সঙ্গী হিসেবে বাংলাদেশে ফিরেছেন।

তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। যদিও সিলেটে বিমানটি সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি নেয়, সেখানেও নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উদ্দীপনা। ঢাকায় তার আগমন উপলক্ষে দলীয় নেতাকর্মীদের জনস্রোত বিমানবন্দর এলাকা ছাড়িয়ে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ছড়িয়ে পড়ে। ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময় তারেক রহমানকে হাস্যোজ্জ্বল ও আত্মবিশ্বাসী দেখা যায়, যা তার দীর্ঘ রাজনৈতিক নির্বাসনের ক্লান্তিকে ছাপিয়ে গিয়েছিল।

এই প্রত্যাবর্তনের রাজনৈতিক তাৎপর্য অত্যন্ত গভীর। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের সশরীরে উপস্থিতি বিএনপির সাংগঠনিক শক্তিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি সরাসরি গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন, যেখানে তিনি দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তার এই দেশে ফেরা কেবল একজন ব্যক্তির ফেরা নয়, বরং একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের প্রাণশক্তি ফিরে পাওয়া হিসেবে দেখছেন সমর্থকরা। আগামী দিনগুলোতে দেশের রাজনীতিতে তার ভূমিকা কী হবে, তা নিয়েই এখন চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

রাজনীতি
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz