মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রীর সাক্ষাৎজিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতার শ্রদ্ধাসাভারে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধআওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
খেলা

পিছিয়ে পড়েও কেনের দুই গোলে ইংল্যান্ডের অসাধারণ জয়

পিছিয়ে পড়েও কেনের দুই গোলে ইংল্যান্ডের অসাধারণ জয়

পিছিয়ে পড়েও কেনের দুই গোলে ইংল্যান্ডের অসাধারণ জয়

স্পোর্টস ডেস্ক:

 অধিনায়ক হ্যারি কেনের শেষ দিকের জোড়া গোলে সম্ভাব্য এক মহাবিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়ে ডিআর কঙ্গোকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।

৬০ বছরের শিরোপাখরা কাটানোর লক্ষ্যে মাঠে নামা থমাস টাচেলের দল ব্রায়ান সিপেঙ্গারের গোলে পিছিয়ে পড়ে বড় ধরনের অঘটন এবং ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম লজ্জাজনক বিদায়ের মুখে পড়েছিল। তবে দলের ভরসার প্রতীক অধিনায়ক কেন শেষ পর্যন্ত দলকে সেই বিপর্যয় থেকে উদ্ধার করেন।

তবে রোববার শেষ ষোলোয় ঐতিহাসিক আজটেকা স্টেডিয়ামে সহ-আয়োজক মেক্সিকোর বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার আগে ইংল্যান্ডকে নিজেদের খেলায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি করতে হবে।

বিশ্বকাপে ইতোমধ্যেই ইংল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা কেন এই ম্যাচে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে নিজের মোট গোলসংখ্যা ১৩-তে উন্নীত করেছেন। চলতি আসরে তার গোলসংখ্যা এখন পাঁচ, ফলে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও তিনি শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।

অন্যদিকে এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে আসা ডিআর কঙ্গোর রূপকথার যাত্রার ইতি ঘটল।

'দ্য লেপার্ডস' নামে পরিচিত ডিআর কঙ্গো কয়েক সপ্তাহ আগ পর্যন্ত বিশ্বকাপে কখনও গোল করতে পারেনি, এমনকি একটি পয়েন্টও অর্জন করতে পারেনি। কিন্তু এবার তারা টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট ইংল্যান্ডকে বিদায়ের একেবারে দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল।

পানামার বিপক্ষে জয়ের ম্যাচ থেকে টাচেল দলে দুটি পরিবর্তন আনেন। মিডফিল্ডে ফেরেন ডিক্লান রাইস, আর ইনজুরির কারণে রেসি জেমস ও জ্যারেল কোয়নসা ছিটকে পড়ায় রাইট-ব্যাকে সুযোগ পান জেড স্পেন্স।

২৬ সদস্যের দলে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ রাইট-ব্যাক না রাখার জন্য জার্মান কোচের সিদ্ধান্ত আরও প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে, কারণ ওই দিক দিয়েই এগিয়ে যায় কঙ্গো।

চ্যানসেল মবেম্বার ক্রস ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন স্পেন্স। বল গিয়ে পড়ে সিপেঙ্গার সামনে। আলমেরিয়ার এই উইঙ্গারের নিচু ও জোরালো শট জর্ডান পিকফোর্ডেও পাশ দিয়ে জালে জড়ায়। শটটি ঠেকানোর সুযোগ থাকলেও তা পারেননি ইংল্যান্ড গোলরক্ষক।

প্রায় ৭০ হাজার দর্শকে ঠাসা আটালান্টা স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের লাল-সাদা পোশাক পরা সমর্থকেরা মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে যান। টাচেলের খেলোয়াড়দের মধ্যেও স্পষ্ট অস্থিরতা দেখা যায়।

জুড বেলিংহ্যাম বিপজ্জনক ট্যাকলের জন্য হলুদ কার্ড দেখেন। পরে ম্যাচের মাঝপথে হাইড্রেশন বিরতির সময় কোচ টাচেলের সঙ্গে তাকে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়াতে দেখা যায়।

তবে এই বিরতিই টাচেলকে দলকে আবার সংগঠিত করার সুযোগ করে দেয়।

রাইসের ক্রস থেকে বেলিংহ্যামের শক্তিশালী হেড প্রথমবারের মতো কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসিকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলে।

এর কিছুক্ষণ পর ননি মাদুয়েকের দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ে তৈরি হওয়া সুযোগ থেকে মার্কাস রাশফোর্ডের জোরালো শট গোললাইন থেকেই অ্যারন ওয়ান-বিসাকা প্রতিহত করেন।

তবে বিরতির আগে ইংল্যান্ডের অবস্থা আরও খারাপ হতে পারত। গ্রুপ পর্বে তিন গোল করে প্রথমবারের মতো ডিআর কঙ্গোকে বিশ্বকাপের নকআউটে তুলতে বড় ভূমিকা রাখা ইয়োয়ান উইসা খুব কাছ থেকে নেওয়া শট জালের ঠিকানা খুঁজে পায়নি। নিউক্যাসল ইউনাইটেডের এই স্ট্রাইকার গোলটি করতে পারলে কঙ্গোর ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারতো।

অন্য প্রান্তে এমপাসিকে কাটিয়ে এগোতে গিয়ে ফাউলের শিকার হওয়ার দাবি জানালেও রেফারি পেনাল্টি দেননি। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান কেন।

লে আভরের গোলরক্ষক এমপাসি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স অব্যাহত রাখেন। তিনি ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বেলিংহ্যামের আরেকটি শক্তিশালী হেড ঠেকিয়ে দেন। এরপর প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে কর্নার থেকে কেনের প্রচেষ্টাও রুখে দেন তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইংল্যান্ড কিছুটা আক্রমণাত্মক খেললেও ধীরে ধীরে তারা পথ হারাতে থাকে। তখন বেঞ্চে থাকা আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের মাঠে নামান টাচেল।

সমতা ফেরানোর লক্ষ্যে বুকায়ো সাকা, অ্যান্থনি গর্ডন ও এবেরেচি এজেকে নামানো হয়।

নতুন বার্সেলোনা তারকা গর্ডনের বাড়ানো ক্রস থেকেই ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে অবশেষে এমপাসিকে পরাস্ত করেন কেন। তার হেডে সমতায় ফেরে ইংল্যান্ড।

৮৬তম মিনিটে জয়সূচক গোলেও অবদান রাখেন গর্ডন। তার পাস থেকে কেন দুর্দান্ত এক জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজের ৮৪তম গোলটি করেন এবং ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে জয় উপহার দেন।

খেলা
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz