মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
বিনোদন

‘সমুদ্রের কাছে গেলে নতুন করে বাঁচার শক্তি পাই:

‘সমুদ্রের কাছে গেলে নতুন করে বাঁচার শক্তি পাই:

‘সমুদ্রের কাছে গেলে নতুন করে বাঁচার শক্তি পাই:

জিনিয়া জাফরিন লুইপা

ব্যস্ততার ফাঁকে একটু অবসর মিললেই আমার মন ছুটে যেতে চায় প্রকৃতির কাছে। বিশেষ করে সমুদ্র যেন আমাকে অদৃশ্য এক টানে বারবার ডেকে নেয়। ঢেউয়ের গর্জন, নোনা বাতাস আর দিগন্তজোড়া নীলের বিস্তৃতি আমার মনে অন্যরকম প্রশান্তি এনে দেয়। তাই সুযোগ পেলেই আমি সমুদ্রের কাছেই ছুটে যাই।

এ সপ্তাহের শুরুতে কক্সবাজার ঘুরে এলাম। সাধারণত শুটিং কিংবা কনসার্টের কাজে কোথাও গেলে ফাঁকে একটু ঘোরাঘুরি করা হয়। তবে এবার শুধুই ভ্রমণের উদ্দেশে যাওয়া। আমাদের ১৩তম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে আমার স্বামী আলমগীর হোসেন আমাকে এই তিন দিনের ভ্রমণের চমৎকার সারপ্রাইজ দিয়েছেন। প্রিয় মানুষ সঙ্গে থাকলে মনটাই থাকে ফুরফুরে। সব মিলিয়ে সময়টা ছিল দারুণ আনন্দময়।

কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত, ভোরের কোমল আলো, বিকেলের রঙিন আকাশ আর সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য প্রতিবারের মতো এবারও আমাকে মুগ্ধ করেছে। ঢেউয়ের ছন্দে দাঁড়িয়ে মনে হয়েছে, প্রকৃতির সবচেয়ে সুন্দর উপহারগুলোর একটি যেন এই সমুদ্র। সংগীত ক্যারিয়ারের সুবাদে পৃথিবীর নানা দেশে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। 

প্রথম দেশের বাইরে পা রেখেছিলাম ২০০০ সালে, জাপানে। শিশু একাডেমির জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতার সাংস্কৃতিক সফরের অংশ হিসেবে জাপানের ব্রিজ ক্লাবের আয়োজনে বাংলাদেশের আটজন অংশ নিয়েছিলাম। কয়েকটি দেশের শিশুদের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ হয়েছিল। জাপানের একটি স্কুলেও আমাদের নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দেখেছি, শিশুদের ওপর অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপ না দিয়ে খেলাধুলা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে শেখানো হয়। বিষয়টি আমাকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছিল। সেই সফরের স্মৃতিগুলো আজও চোখে ভাসে।

এ পর্যন্ত আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, নেপাল, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, বাহরাইনসহ অনেক দেশে ঘোরার সুযোগ হয়েছে। এর মধ্যে সুইজারল্যান্ড আমার সবচেয়ে প্রিয়। দেশটির বরফঢাকা পাহাড়, সবুজ উপত্যকা, স্বচ্ছ হ্রদ আর ছবির মতো সাজানো ছোট ছোট শহর আমাকে বারবার মুগ্ধ করে। মনে হয়, প্রকৃতি যেন নিজ হাতে দেশটিকে সাজিয়েছে। যেন ছবির মতো। তাই সুযোগ পেলেই আবার সেখানে যেতে ইচ্ছে করে।

ফ্রান্সের সৌন্দর্যও আমাকে সমানভাবে আকর্ষণ করেছে। ভ্রমণে গেলে শপিং আমাকে টানে না। কেনাকাটায় পুরো দিন ব্যয় করার চেয়ে নতুন কোনো দর্শনীয় স্থান দেখতে বেশি আগ্রহী। দেশের বাইরে কোনো খাবার খেলেই বোঝার চেষ্টা করি, কীভাবে সেটি রান্না করা হয়েছে। আর কোথাও গেলে ভাতের বদলে সে দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারই খেতে ভালো লাগে।

সমুদ্রবিলাসী মন আমার। একটু ছুটি পেলেই কক্সবাজার, টেকনাফ কিংবা সেন্টমার্টিন যাই। সমুদ্রের কাছে গেলেই মনে হয়, জীবনের সব ক্লান্তি মুছে নতুন করে বাঁচার শক্তি ফিরে পাই।

লেখক: জিনিয়া জাফরিন লুইপা, সংগীতশিল্পী

বিনোদন
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz