নিজস্ব প্রতিবেদক:
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যেও চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস অগাস্টে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ১৪ শতাংশ। এ মাসে মোট ৪৪২ কোটি ৯৫ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
এর মধ্য দিয়ে অর্থবছরের শুরুতে দেখা দেওয়া নেতিবাচক ধারা কাটিয়ে উঠেছে দেশের রপ্তানি খাত। তবে রপ্তানি আয় বাড়লেও গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটসহ উৎপাদন ব্যয়ের চাপের কারণে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন রপ্তানিকারকরা।
মঙ্গলবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) দেশের রপ্তানি আয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অগাস্টে রপ্তানি আয় ১৩ দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়েছে। তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের তুলনায় অগাস্টে রপ্তানি আয় কমেছে ৬ দশমিক ৩০ শতাংশ।
জুলাইয়ে বাংলাদেশ থেকে ৪৭২ কোটি ৭৪ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল। ওই মাসের রপ্তানি আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১ শতাংশ কম ছিল।
ফলে জুলাইয়ে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা দিলেও অগাস্টে তা কাটিয়ে রপ্তানি আয় আবারও প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরেছে।
তবে শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ সংকট অব্যাহত থাকায় উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ রপ্তানিকারকদের। তাদের মতে, রপ্তানি আয় বাড়লেও উৎপাদন সক্ষমতা ধরে রাখা এবং সময়মতো বিদেশি ক্রয়াদেশ সরবরাহ করা নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে।
রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে আগামী মাসগুলোতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।