জাতীয়

আউটসোর্সিং নিয়োগে অনুমোদনের জট খুলল

আউটসোর্সিং নিয়োগে অনুমোদনের জট খুলল

আন্তঃমন্ত্রণালয় জনবল কমিটির সুপারিশই যথেষ্ট, নতুন নিয়োগ ও সেবা নবায়নে অর্থ বিভাগের পৃথক অনুমোদন নয়—দ্রুত বাস্তবায়নে বড় প্রশাসনিক শিথিলতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগ ও সেবা গ্রহণের অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করেছে সরকার। এখন থেকে আন্তঃমন্ত্রণালয় জনবল কমিটির সুপারিশ পাওয়ার পর উন্নয়ন প্রকল্পে নতুন আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগের জন্য অর্থ বিভাগের কাছ থেকে পুনরায় পৃথক অনুমোদন নিতে হবে না। একইভাবে নতুন জনবল নিয়োগ এবং ইতোমধ্যে নিয়োজিত আউটসোর্সিং সেবা নবায়নের ক্ষেত্রেও অর্থ বিভাগ কিংবা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের পৃথক অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা থাকছে না।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাজেট-১৪ শাখা থেকে ১ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে ২১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে জারি করা ‘আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবা গ্রহণ নীতিমালা, ২০২৫’-এর আওতায় উন্নয়ন প্রকল্পে আউটসোর্সিং সেবা গ্রহণের কয়েকটি বিষয়ে স্পষ্টীকরণ ও প্রক্রিয়াগত শিথিলতা আনা হয়েছে।

একই বিষয়ে বারবার অনুমোদনের প্রয়োজন নেই

নতুন নির্দেশনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—উন্নয়ন প্রকল্পে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নতুন জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে আন্তঃমন্ত্রণালয় জনবল কমিটির সুপারিশ পাওয়ার পর অর্থ বিভাগের কাছ থেকে পুনরায় পৃথক অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

অর্থাৎ, জনবল প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি সুপারিশ করলে সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই আউটসোর্সিং সেবা গ্রহণের পরবর্তী প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া যাবে।

একই সঙ্গে বিদ্যমান আউটসোর্সিং জনবলের সেবা নবায়নের ক্ষেত্রেও অর্থ বিভাগ অথবা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের আলাদা অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে একটি অনুমোদন পাওয়ার পর একই বিষয়ে একাধিক প্রশাসনিক স্তরে ফাইল চালাচালির প্রয়োজন কমবে।

তবে মেয়াদ বাড়াতে কমিটির সুপারিশ লাগবে

অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা হলেও পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণহীন করে দেওয়া হয়নি। কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের মূল অনুমোদিত মেয়াদ অথবা পরবর্তীতে বর্ধিত মেয়াদের জন্য আউটসোর্সিং সেবা ক্রয়ের মেয়াদ বাড়াতে হলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় জনবল কমিটির সুপারিশ নিতে হবে।

অর্থাৎ, অর্থ বিভাগের পৃথক অনুমোদনের প্রয়োজন না থাকলেও জনবল প্রয়োজনীয়তা ও প্রকল্পের মেয়াদের সঙ্গে সামঞ্জস্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির ভূমিকা বহাল থাকছে।

সেবা পরীক্ষণ কমিটির সুপারিশও লাগবে না

নতুন নির্দেশনায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ শিথিলতা আনা হয়েছে। আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে নীতিমালার তফসিল ‘ক’ অনুযায়ী সেবা পরীক্ষণ কমিটির সুপারিশেরও প্রয়োজন হবে না।

আন্তঃমন্ত্রণালয় জনবল কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন আউটসোর্সিং সেবা ক্রয় করা যাবে।

ফলে একটি প্রকল্পে আউটসোর্সিং জনবল প্রয়োজন—এমন সিদ্ধান্তের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিক কমিটি ও অনুমোদন স্তর অতিক্রম করতে যে সময় ব্যয় হতো, সেটি উল্লেখযোগ্যভাবে কমার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

কেন এই শিথিলতা?

অর্থ বিভাগের নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনাটি সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থায় পাঠানো হয়েছে।

সরকারের এ সিদ্ধান্তের পেছনে মূল বিবেচনা হচ্ছে প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত জনবল নিয়োগে অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক বিলম্ব কমানো। কারণ উন্নয়ন প্রকল্পে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে অনেক সময় প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিটকে দ্রুত জনবল নিয়োগ ও প্রয়োজনীয় সেবা সংগ্রহ করতে হয়।

একই বিষয়ে একাধিক অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করতে হলে প্রকল্পের বাস্তবায়ন সময়সূচি পিছিয়ে যেতে পারে। নতুন ব্যবস্থায় সেই বিলম্ব কমানোর সুযোগ তৈরি হলো।

দপ্তর-অধিদপ্তরগুলোর কী সুবিধা হবে?

এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে সরাসরি সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও সংস্থাগুলোর।

প্রথমত, ফাইল নিষ্পত্তির সময় কমবে। জনবল কমিটির সুপারিশ পাওয়ার পর একই বিষয়ে আবার অর্থ বিভাগের পৃথক অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

দ্বিতীয়ত, প্রকল্পের মাঠপর্যায়ের কাজ দ্রুত শুরু করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে যেসব প্রকল্পে প্রকৌশলী, টেকনিশিয়ান, গবেষণা, আইটি, ব্যবস্থাপনা, পরিদর্শন বা অন্যান্য সহায়ক সেবা দ্রুত প্রয়োজন হয়, সেখানে সময় সাশ্রয় হতে পারে।

তৃতীয়ত, বিদ্যমান আউটসোর্সিং সেবা নবায়নে প্রশাসনিক জট কমবে। একটি প্রকল্পে ইতোমধ্যে সেবা চালু থাকার পর মেয়াদ শেষ হলে শুধু নবায়নের জন্য একাধিক অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন না থাকায় সেবায় বিঘ্ন কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

চতুর্থত, প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় ব্যবস্থাপনা সহজ হবে। জনবল নিয়োগে বিলম্ব হলে অনেক ক্ষেত্রে প্রকল্পের অন্যান্য কার্যক্রমও পিছিয়ে যায়। অনুমোদন প্রক্রিয়া সরল হওয়ায় এই ঝুঁকি কিছুটা কমবে।

সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় সম্ভাব্য প্রভাব

তবে অর্থ বিভাগের পৃথক অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা না থাকার অর্থ এই নয় যে আউটসোর্সিং ব্যয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেল।

২০২৫ সালের নীতিমালায় আউটসোর্সিং সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত আইন ও বিধি অনুসরণের কাঠামো রাখা হয়েছে। নীতিমালায় কোনো পদ সৃষ্টির প্রয়োজন না থাকা এবং বিদ্যমান সাংগঠনিক কাঠামোর পদে আউটসোর্সিং সেবা ক্রয় না করার বিষয়ও উল্লেখ রয়েছে।

ফলে নতুন নির্দেশনার মূল পরিবর্তনটি হচ্ছে অনুমোদনের স্তর কমানো, সরকারি ক্রয় ও জবাবদিহির কাঠামো পুরোপুরি বাতিল করা নয়।

স্বচ্ছতার জায়গায় নজরদারি জরুরি

প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দ্রুত করার সুবিধার পাশাপাশি এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আসে—দ্রুততার সঙ্গে স্বচ্ছতার ভারসাম্য রাখা।

অর্থ বিভাগের পৃথক অনুমোদনের প্রয়োজন না থাকায় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর হাতে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের গতি বাড়বে। তবে একই সঙ্গে প্রকল্পে কতজন আউটসোর্সিং জনবল প্রয়োজন, কেন প্রয়োজন, কী ধরনের সেবা প্রয়োজন এবং সেই জনবল প্রকল্পের অনুমোদিত কাঠামো ও কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না—এসব বিষয় যথাযথভাবে নথিবদ্ধ ও যাচাই করা জরুরি।

কারণ অনুমোদনের স্তর কমানো যেমন প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আনতে পারে, তেমনি দুর্বল অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ থাকলে অপ্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, অতিরিক্ত ব্যয় বা স্বার্থসংশ্লিষ্টতার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

এ কারণে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক, প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ, ক্রয়কারী সংস্থা এবং নিরীক্ষা ব্যবস্থার দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের বিশ্লেষণ: ‘গতি বাড়বে, তবে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও শক্ত হতে হবে’

সরকারি প্রকল্প ব্যবস্থাপনার দৃষ্টিকোণ থেকে সিদ্ধান্তটি মূলত প্রক্রিয়াগত সময় কমানোর উদ্যোগ। একটি জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে একই ধরনের প্রয়োজনীয়তা একাধিক পর্যায়ে পুনরায় যাচাই হলে প্রশাসনিক সময় বাড়ে। আন্তঃমন্ত্রণালয় জনবল কমিটির সুপারিশকে কার্যকর ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে অতিরিক্ত অনুমোদনের ধাপ বাদ দেওয়ায় প্রকল্প কর্তৃপক্ষ দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারবে।

তবে প্রশাসনিক সংস্কারের ক্ষেত্রে একটি মৌলিক নীতি হলো—অনুমোদনের স্তর কমলেও জবাবদিহির স্তর যেন কমে না যায়।

অর্থাৎ, সিদ্ধান্তটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য তিনটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে—

এক. জনবল কমিটির সুপারিশের যথাযথ নথিপত্র সংরক্ষণ;

দুই. নিয়োগকৃত আউটসোর্সিং জনবল প্রকল্পের প্রকৃত প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা নিয়মিত যাচাই;

তিন. সেবা ক্রয়, বিল পরিশোধ ও চুক্তি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নিরীক্ষাযোগ্য রেকর্ড নিশ্চিত করা।

এগুলো ঠিক থাকলে অনুমোদন কমানোর ফলে গতি বাড়ার সুফল পাওয়া সম্ভব; আর নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হলে একই সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক সুবিধার পাশাপাশি নতুন ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।

২০২৫ সালের নীতিমালার সঙ্গে নতুন সিদ্ধান্তের সম্পর্ক

সরকার ২০২৫ সালে ‘আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবা গ্রহণ নীতিমালা, ২০২৫’ জারি করে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে আউটসোর্সিং সেবা গ্রহণের জন্য একটি নতুন কাঠামো নির্ধারণ করে। ওই নীতিমালায় সেবাকর্মীর বয়সসীমা ১৮ থেকে ৬০ বছর, সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় আইন ও বিধি অনুসরণের বিষয় এবং সেবাকর্মীদের পারিশ্রমিকসহ বিভিন্ন শর্ত নির্ধারণ করা হয়।

সেই কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়েই এবার উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে অনুমোদন প্রক্রিয়াকে আরও সরল করা হলো।

অর্থাৎ, নীতিমালা বাতিল নয়; বরং উন্নয়ন প্রকল্পে নীতিমালার প্রয়োগের কিছু প্রশাসনিক ধাপ শিথিল করা হয়েছে।

এক নজরে নতুন সিদ্ধান্ত

বিষয়| নতুন ব্যবস্থা
নতুন আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগ| আন্তঃমন্ত্রণালয় জনবল কমিটির সুপারিশের পর অর্থ বিভাগের পৃথক অনুমোদন লাগবে না
নতুন সেবা গ্রহণ| আন্তঃমন্ত্রণালয় জনবল কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সেবা ক্রয় করা যাবে
বিদ্যমান সেবা নবায়ন| অর্থ বিভাগ/সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের পৃথক অনুমোদন লাগবে না
প্রকল্পের মূল/বর্ধিত মেয়াদের জন্য সেবা ক্রয়ের মেয়াদ বৃদ্ধি| আন্তঃমন্ত্রণালয় জনবল কমিটির সুপারিশ প্রয়োজন
তফসিল ‘ক’ অনুযায়ী সেবা পরীক্ষণ কমিটির সুপারিশ| প্রয়োজন হবে না
সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য| উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন

উন্নয়ন প্রকল্পে আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগ ও সেবা নবায়নের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের পৃথক অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সরলীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যায়। এতে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর সময় সাশ্রয় হবে এবং প্রয়োজনীয় জনবল ও সেবা দ্রুত সংগ্রহের সুযোগ তৈরি হবে।

তবে অনুমোদনের ধাপ কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রকল্পভিত্তিক প্রয়োজন নির্ধারণ, সরকারি ক্রয়বিধি অনুসরণ, আর্থিক শৃঙ্খলা, নথিপত্র সংরক্ষণ এবং নিরীক্ষা—এসব জায়গায় আরও শক্ত নজরদারি নিশ্চিত করা জরুরি।

কারণ প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি যেমন প্রয়োজন, তেমনি সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার ও জবাবদিহিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। নতুন সিদ্ধান্তটি এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রেখে বাস্তবায়ন করা গেলে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত করার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর প্রশাসনিক সংস্কার হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।