মূল খবরে যান

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬৮ কার্তিক ১৪৩৩

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
কার্যকর পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছি: আইজিপিনির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ তুলে পুনরায় লড়ার দাবি ট্রাম্পেরবজি কিনতে গেলে মনে হয় মাংস কিনছি, গরু-ইলিশের কথা মানুষ ভুলে যাবে: আসিফ মাহমুদ‘চুমু দেওয়া শিক্ষক বা নেতারও কাজ নয়’—রাশেদ খাঁনঅপপ্রচার চালিয়ে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করছে জামায়াত: রুহুল কবির রিজভীমাদ্রাসায় বলাৎকার দুঃখজনক ও লজ্জাজনক, সরকার কঠোর অবস্থানে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদবিশ্বব্যাপী সাইবার সতর্কতায় ৩ দিন ধরে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট, ব্যাংকিং সেবা স্বাভাবিকসরকারি ফি ২০ টাকা, নকল পেতে খসল ১,৯০০ টাকা! লালবাগ ভূমি অফিসে চরম অরাজকতা
সারাদেশ

কার্যকর পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছি: আইজিপি

জন-আস্থা পুনরুদ্ধার এবং সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে একটি কার্যকরী পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএম।

কার্যকর পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছি: আইজিপি

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান।

আইজিপি বলেন, "বিগত ১৭ বছরে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, তা নিরসন করাই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য। গত ৫ আগস্টের পর পুলিশ নতুন দৃঢ় মনোবল নিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং পুরোদমে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা জনগণের সাথে সুদৃঢ় আস্থার সম্পর্ক তৈরি করে একটি মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা উপহার দিতে চাই।"

সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’

অপরাধ দমনে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে পুলিশ প্রধান বলেন, বর্তমান সরকার মাদক, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে। বর্তমানে এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে যৌথ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে এবং সরকার এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে জোর দিচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, "সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করলে আমরা এসব অপরাধ সমাজ থেকে সম্পূর্ণ নির্মূল করতে পারব।"

আইনি কাঠামোর অধীনে আসছে কমিউনিটি পুলিশিং

কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা পুনর্গঠন প্রসঙ্গে আইজিপি জানান, এর কার্যক্রমকে সুনির্দিষ্ট একটি কাঠামোর মধ্যে আনতেই কাজ করছে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে তা অনুমোদন দিয়েছে।

অতীতে কিছু সদস্যের অনিয়মের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "বিগত সময়ে কমিউনিটি পুলিশের কতিপয় সদস্যের বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ ছিল। ভবিষ্যতে যেন কোনোভাবেই এই ধরনের অপকর্মের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেজন্য একে একটি স্বচ্ছ আইনি কাঠামোর ভেতরে পরিচালনা করা হবে।"

সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ হিসেবে আখ্যায়িত করে আইজিপি কমিউনিটি পুলিশিং সফল করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও কামনা করেন।

কেএমপি কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমানের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম এবং খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) এ কে এম মোশাররফ হোসেন মিয়াজী। সমাবেশ শেষে আইজিপি খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

সারাদেশ
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।