মূল খবরে যান

বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ই-পেপার

সত্যের সাথে আগামীর পথে

শিরোনাম
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি, অভিযোগ নাহিদ ইসলামেরনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকোরআনের বিশুদ্ধ তিলাওয়াতের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতিদিনাজপুরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তারসড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ মেট্রোরেলের স্টেশনশ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তারমিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ
বিশ্ব

শান্তি প্রক্রিয়ার হুমকিতে পশ্চিম তীর দখল বিল স্থগিতের নির্দেশ

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের দুই ভূখণ্ডকে ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্ত করার বিল নেসেটে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পাস হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক চাপে এর কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

শান্তি প্রক্রিয়ার হুমকিতে পশ্চিম তীর দখল বিল স্থগিতের নির্দেশ

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের বিতর্কিত দুই ভূখণ্ডকে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করার বিলটির কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তার ক্ষমতাসীন দল লিকুদ পার্টির এমপি ওফির কাৎজ এই স্থগিতাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই বিল নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্ব এবং বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ব্যাপক সমালোচনা ও কূটনৈতিক চাপ আসছিল।

জুদেয়া ও সামারিয়া নামক পশ্চিম তীরের এই অঞ্চল দুটি ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েলের দখলে রয়েছে। এই অঞ্চলকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিতে নেসেটে উত্থাপিত বিলটি উত্থাপনের পর প্রথম দফা ভোটে সামান্য ব্যবধানে পাস হয়। ১২০ আসনের নেসেটে বিলটির পক্ষে ২৫টি এবং বিপক্ষে ২৪টি ভোট পড়ে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নেসেটের ৭১ জন সদস্য ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং লিকুদ পার্টির কয়েকজন এমপিও ছিলেন। ভোটদানে বিরত থাকার এই ঘটনা থেকেই অনুমিত হয়, অভ্যন্তরীণভাবেও বিলটি নিয়ে যথেষ্ট বিভাজন ছিল।

বিলটি পাস হওয়ার পর পরই যুক্তরাষ্ট্র কঠোর প্রতিক্রিয়া জানায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মার্কো রুবিও প্রকাশ্যে বলেন, এই বিলকে কোনো সমর্থন দেওয়া হবে না, কারণ এটি গাজায় শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে হুমকি হিসেবে বিবেচিত। পরবর্তী সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে হস্তক্ষেপ করে হুঁশিয়ারি দেন যে বিলটি বাস্তবায়ন করা হলে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের সহযোগিতা হারাবে।

নেতানিয়াহু এই কঠোর আন্তর্জাতিক চাপ মোকাবিলা করতে চেয়েছেন তার দলের এমপি ওফির কাৎজের মাধ্যমে। তিনি জানিয়েছেন, পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত বিলটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। ইসরায়েলি পার্লামেন্টারি বিধি অনুসারে, কোনো বিল চূড়ান্তভাবে পাস হতে হলে চারটি ধাপের ভোট পেরোতে হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের ফলে আপাতত বিলটির ওপর দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ দফার ভোট হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে নেতানিয়াহুর এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপাতত একটি কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্ব
খবরটি শেয়ার করুন কপি হয়েছে

ফটোকার্ড

১২০০×১২০০ — ফেসবুকে পোস্ট করুন, খবরের লিংক দিন কমেন্টে।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…
ডাউনলোড করুন কার্ডে লেখা থাকে “বিস্তারিত কমেন্টে” — পোস্ট করার পর প্রথম কমেন্টে খবরের লিংক দিন।
ডেভেলপ করেছে Metanoz