নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (সিজিএ) ও এর অধীন দপ্তরগুলোতে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের ৫৭৫টি শূন্য পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সাতটি ক্যাটাগরিতে তিনটি পুনর্নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব পদে সরাসরি নিয়োগের জন্য যোগ্য বাংলাদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। ৬ আগস্ট ২০২৬ থেকে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ৩৭৮ জন নেওয়া হবে অডিটর পদে। এ পদটি ১১তম গ্রেডের এবং বেতন স্কেল ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা। এ ছাড়া কম্পিউটার অপারেটরসহ অন্যান্য পদেও জনবল নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে সাতটি ক্যাটাগরিতে মোট শূন্য পদ রয়েছে ৫৭৫টি।
সিজিএর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিগুলো পুনর্নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও এর অধীন দপ্তরগুলোর জনবল চাহিদার ভিত্তিতে এসব পদ পূরণ করা হবে। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়সসীমা, অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য শর্ত প্রযোজ্য হবে।
আবেদনকারীদের অনলাইনে নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য, আবেদনপদ্ধতি ও শর্ত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনকারীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য সঠিকভাবে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। আবেদনসংক্রান্ত কোনো ভুল তথ্য পরবর্তী সময়ে প্রার্থিতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সরকারের হিসাব ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। কার্যালয়টির অধীন বিভিন্ন দপ্তরে সরকারি অর্থের হিসাব সংরক্ষণ, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং নিরীক্ষাসংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের তালিকায় হিসাব মহানিয়ন্ত্রক হিসেবে এস এম রেজভীর নাম রয়েছে।
৫৭৫টি পদে নতুন জনবল নিয়োগের ফলে সিজিএর অধীন দপ্তরগুলোর জনবল ঘাটতি পূরণে সহায়তা হবে বলে সংশ্লিষ্ট নিয়োগপ্রক্রিয়ার কাঠামো থেকে ধারণা পাওয়া যায়। বিশেষ করে অডিটর পদে ৩৭৮ জন নিয়োগের মাধ্যমে নিরীক্ষা ও হিসাবসংক্রান্ত কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় জনবল যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। এ নিয়োগেও বিজ্ঞপ্তির শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করে প্রার্থীদের মূল্যায়ন করা হলে যোগ্য প্রার্থীদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হবে।