শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
যেভাবে পরিচালিত হয় অভিযান
পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১টা পর্যন্ত কুমিল্লা নগরীসহ জেলার ১৮টি থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় এই একযোগে অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশ ও সরাসরি অংশগ্রহণে জেলা পুলিশের সকল ইউনিট এবং ডিবি পুলিশ এই অভিযানে অংশ নেয়।
বিশেষ করে নগরীর বিভিন্ন মোড় ও থানা এলাকার যেসব স্থানে বখাটে কিশোরদের উৎপাত ও আড্ডা বেশি দেখা যায়, সেসব স্থান ঘিরে এই সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের বক্তব্য ও পরবর্তী পদক্ষেপ
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, উঠতি বয়সি কিশোররা যাতে কোনোভাবেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে না পারে, সেজন্য জেলা পুলিশ নিয়মিতভাবে এই ধরনের বিশেষ অভিযান চালিয়ে আসছে।
তিনি আরও বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং সেই অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে অভিযانی কার্যক্রমে কোনো নিরপরাধ সাধারণ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে কঠোর মনিটরিং বজায় রাখা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ পুরোপুরি দমনে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর।