শুক্রবার (৯ অক্টোবর ২০২৬) ম্যাচের প্রথম দিনে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭২.২ ওভারে ৬ উইকেটে ৩০০ রান। ক্রিজে অর্ধশতক নিয়ে ব্যাট করছেন লিটন দাস (৫০*), আর তাঁর সঙ্গে নতুন ব্যাটার হিসেবে যোগ দিয়েছেন নাঈম হাসান।
শত রানের উদ্বোধনী জুটি ও শুরুর সাফল্য
এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান ও সাদমান ইসলামের ব্যাটে দুর্দান্ত সূচনা পায় দল। ওপেনিং জুটিতে শত রান পেরিয়ে যান তারা। দারুণ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ৭১ বলে ৮৩ রানের এক ঝলমলে ইনিংস খেলেন তানজিদ হাসান। তবে সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় পৌঁছে ইসমত আলমের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
অপরপ্রান্তে দারুণ ধৈর্যশীল ব্যাটিং করে নিজের অর্ধশতক তুলে নেন সাদমান ইসলামও। শেষ পর্যন্ত ৬৭ রান করে জিয়া-উর-রহমানের অসাধারণ একটি ক্যাচের শিকার হয়ে বিদায় নেন এই ওপেনার। ম্যাচের প্রথম সেশনে মাত্র ১ উইকেটে ১৩৪ রান তুলে অত্যন্ত শক্ত অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় সেশনে বিপর্যয় ও প্রতিরোধ
তবে দুপুরের পর খেলার দৃশ্যপটে ছন্দপতন ঘটে। দ্বিতীয় সেশনে মুমিনুল হক ৩৯ রান করে আউট হওয়ার পর ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামে। অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম খাতা খোলার আগেই (০) বোল্ড হয়ে ফেরেন। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও ২৯ রানের বেশি করতে পারেননি। মাত্র ৪ রানের ব্যবধানে দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে ২২৫ রানে ৫ উইকেটে পরিণত হয় বাংলাদেশ।
সেই বিপর্যয় থেকে দলকে টেনে তোলার মূল দায়িত্ব নেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুইজনে মিলে একটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে প্রাথমিক বিপদ সামাল দেন। তবে দলীয় ২৮৭ রানে ইসমত আলমের বলে বোল্ড হয়ে মিরাজ সাজঘরে ফিরে গেলে ভাঙে এই জুটি। মিরাজের বিদায়ের পর এখন বড় সংগ্রহের সমস্ত আশা ভরসা টিকে রয়েছে লিটন দাসের উইকেটে টিকে থাকা ও তার ব্যাটের ওপর।