জাতীয়

প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

 বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পরিকল্পিত নগরায়ন ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও বসবাসযোগ্য নগর গড়ে তোলাই বিশ্ব বসতি দিবস উদযাপনের অন্যতম উদ্দেশ্য। ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ন’ প্রত্যয় সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। জাতিসংঘের নির্ধারিত এবারের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন’ বর্তমান বাংলাদেশে দ্রুত নগরায়ন ও বর্ধিত আবাসন চাহিদার প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী।”

সরকারের অঙ্গীকার ও বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সবার জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী, পরিবেশসম্মত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন নিশ্চিত করা আমাদের মূল লক্ষ্য। এ উদ্দেশ্যে আবাসন, নগর পরিকল্পনা, নাগরিক সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে সমন্বিত করে দীর্ঘমেয়াদি নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ ও বস্তিবাসীদের সাশ্রয়ী আবাসন, আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ এবং সুষম নগর উন্নয়নকে সরকার বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।”

শহরাঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি জোরদারের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে নতুন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের মাধ্যমে সুষম নগর উন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১১ (SDG-11) অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, “টেকসই আবাসন ও নগরায়ন শুধু সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। বেসরকারি বিনিয়োগকারী, এনজিও, সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (PPP) মাধ্যমে বস্তি উন্নয়ন, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পরিবর্তন আনা সম্ভব।”

বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা এমন একটি মানবিক, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে গ্রাম বা শহর নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিক পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বাস করার অধিকার পাবে।” তিনি বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।