সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে জেলা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
অভিযানের বিবরণ ও সর্বশেষ পরিসংখ্যান
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে গত রোববার সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানা এলাকা এবং ডিবি পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট যৌথভাবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক অভিযানের অংশ এটি।
সর্বশেষ গত রবিবারের গভীর রাত পর্যন্ত চালানো ৭ দফার পৃথক অভিযানে মোট ২ হাজার ৬৫২ জনকে আটক করা হয়েছে। এর আগের ৬ দফার অভিযানে আটককৃতদের মধ্যে ৯১৪ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া যাচাই-বাছাই শেষে মুচলেকা নিয়ে ১ হাজার ৩৮৫ জন কিশোরকে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, যাদের একটি বড় অংশ শিক্ষার্থী।
পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. লুৎফর রহমান জানান, রোববারের অভিযানে আটককৃতদের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হবে, কেবল তাদের বিরুদ্ধেই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও গ্যাং কালচার থেকে দূরে রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। পাশাপাশি, সাঁড়াশি অভিযานের নামে যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি বা শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে।




