সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মাইনুল জাকির এই হত্যাকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত রোববার রাতে নগরীর সুইপার কলোনির কাস্টঘর এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।
হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট
নিহত হৃদয় কুমার হরিজন কাস্টঘর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন এবং সিলেট সিটি করপোরেশনে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জনক ছিলেন।
নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় অভিযুক্ত আমিন নামের এক ব্যক্তি হৃদয়ের স্ত্রী পিংকী রানীর ছবি তোলার চেষ্টা করেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে হৃদয় এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে আমিন মোবাইল ফোনে তার সহযোগীদের ঘটনাস্থলে ডেকে আনেন। এরপর তারা সবাই মিলে অতর্কিতভাবে হৃদয়কে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ছোট ভাই অজয় কুমার হরিজন অভিযোগ করে বলেন, ভাবির ছবি তোলার প্রতিবাদ করার অপরাধেই আমিন ও তার সঙ্গীরা পরিকল্পিতভাবে তার ভাইকে খুন করেছেন।
পুলিশের বক্তব্য
সিলেট কোতোয়ালী থানার ওসি খান মো. মাইনুল জাকির জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে অভিযান চালাচ্ছে। খুব শীঘ্রই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।




