সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোলের জবাব
সরাসরি কারও নাম উল্লেখ না করলেও ক্যাটরিনার বক্তব্যে স্পষ্ট বার্তা ছিল। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তিনি বলেন, “আমার মনে হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় কে কী বলছে বা কী ন্যারেটিভ তৈরি হচ্ছে, সেটা দিয়ে নিজের আত্মসম্মান বা সেলফ-এস্টিম বিচার করা একেবারেই ভুল। আপনি যদি সবাইকে খুশি করতে যান, তবে নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার ক্ষমতাটাই হারিয়ে ফেলবেন।”
নিজের মানসিক শক্তির কথা তুলে ধরে তিনি আরও যোগ করেন, “আমাকে নিয়ে আসা প্রতিটি নেতিবাচক মন্তব্যকে যদি আমি পাত্তা দিতাম বা আমার জীবন পরিচালনা করতে দিতাম, তাহলে হয়তো আমি ভয়ে এক জায়গায় স্থির হয়ে যেতাম, জীবনে আর এক পাও এগোতে পারতাম না।”
নিজের সবচেয়ে বড় চিয়ারলিডার হওয়ার তাগিদ
উপস্থিত সকলের উদ্দেশে ক্যাটরিনা বলেন, বিশ্ব যখন আপনাকে নিয়ে মাতামাতি করবে না, তখন নিজেকেই নিজের সবচেয়ে বড় সমর্থক ও চিয়ারলিডার হতে হবে। জীবনের প্রতিটি পর্যায় সব সময় এক রকম থাকে না।
সবশেষে মাতৃত্ব ও শারীরিক পরিবর্তনের সৌন্দর্যকে স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “কোনাে সময় আপনার সবকিছু পারফেক্ট থাকবে, আবার কখনো কোনো কিছুই মনের মতো হবে না। কখনো আপনাকে সেরা দেখাবে, আবার কখনো সেরা রূপ পাওয়ার জার্নিটা চলবে। তাই এই সবকিছুকে হালকাভাবে গ্রহণ করা উচিত, নিজেকে নিয়ে বড্ড বেশি গম্ভীর বা চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।”




