আদালত এই আয়োজনের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি না করলেও দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, সমাবেশ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দিল্লি হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নীতিন ওয়াসহুদেও সাম্ব্রে ও বিচারপতি সঞ্জয় শর্মার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ সংক্রান্ত একটি আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
ব্যবসায়ীদের আপত্তি ও আদালতের যুক্তি:
লাইসেন্সধারী এক পথবিক্রেতা সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদনটি করেছিলেন।
-
ব্যবসায়ীদের দাবি: সামনেই উৎসবের মরশুম ও দশেরার সপ্তাহান্ত (Weekend)। এ সময়ে কেন্দ্রীয় দিল্লিতে ফের বিক্ষোভ হলে সাধারণ ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের বিক্রিবাট্টা বন্ধ হয়ে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।
-
কর্তৃপক্ষের অবস্থান: সরকারের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা জানান, সিজেপির এই কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ প্রস্তুতি রাখায় হাইকোর্ট বিক্ষোভ বন্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করেননি।
রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিরোধীদের একাত্মতা:
এর আগে গত ১০ অক্টোবর নির্বাচনি জালিয়াতির প্রতিবাদে সিজেপির ডাকা কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়া শত শত মানুষকে যন্তর মন্তর রোড থেকে আটক করেছিল পুলিশ। সেই ঘটনার পর থেকেই দিল্লির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়।
-
ইন্ডিয়া জোট ও আপ-এর সমর্থন: কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA)-ও একই ইস্যুতে আন্দোলন করছে। বিশেষ লক্ষণীয় যে, ইন্ডিয়া জোট থেকে সাধারণত দূরত্ব বজায় রাখা আম আদমি পার্টি (আপ) এবার সিজেপির এই বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
-
জাতীয় পতাকা বহনের আহ্বান: সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সকলকে হাতে জাতীয় পতাকা বহনের আহ্বান জানিয়েছেন।




